২০২৬ সালে আমরা
কী করতে চাই
আটটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে আমাদের কাজের দিকনির্দেশনা।
২০২৬ সালে আমরা আমাদের কার্যক্রম আরও সংগঠিতভাবে এগিয়ে নিতে চাই।
শিক্ষা সহায়তা থেকে স্বাস্থ্যসেবা, রক্তসেবা থেকে কৃষি সহায়তা, বৃক্ষরোপণ থেকে সামাজিক সচেতনতা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের লক্ষ্য হলো স্থানীয় মানুষের বাস্তব প্রয়োজনের পাশে থাকা।
শিক্ষা
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পথে ছোট ছোট বাধা দূর করা।
- প্রয়োজনভিত্তিক শিক্ষা সহায়তা ও বৃত্তি
- স্থানীয় পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ
- জ্ঞানচর্চামূলক আয়োজন
দারিদ্র্য ও সামাজিক কল্যাণ
প্রয়োজনের সময়ে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।
- রমজান, ঈদ ও শীতকালীন সহায়তা
- জরুরি খাদ্য ও মানবিক সহায়তা
- প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের জন্য সহায়ক সামগ্রী
- নিরাপদ বাসস্থানে সহযোগিতা
কৃষি ও স্বাবলম্বিতা
আজকের সহায়তাকে আগামী দিনের আয়ের পথে রূপ দেওয়া।
- মৌসুমভিত্তিক বীজ ও কৃষি উপকরণ
- ছাগল ও ভেড়া প্রদান
- ছোট আয়ের উদ্যোগে সহযোগিতা
স্বাস্থ্য ও রক্তসেবা
জরুরি সময়ে রক্ত ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার পাশে থাকা।
- রক্তদাতাদের হালনাগাদ তালিকা
- রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প
- মেডিকেল ক্যাম্প ও স্বাস্থ্য সচেতনতা
পরিবেশ
আজকের একটি গাছ, আগামী দিনের নিঃশ্বাস।
- প্রতি বছর ২০০+ বৃক্ষরোপণ
- পাখির জন্য নিরাপদ বাসস্থান
- বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম
মানবাধিকার ও নিরাপত্তা
সবার জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবন।
- নারী ও শিশু অধিকার সচেতনতা
- সড়ক নিরাপত্তা ও হেলমেট ব্যবহার
- অগ্নিনিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও দুর্যোগ প্রস্তুতি
খেলাধুলা ও সংস্কৃতি
সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।
- স্থানীয় তরুণদের নিয়ে খেলাধুলার আয়োজন
- পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা
সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধ
সমস্যা তৈরি হওয়ার আগেই সচেতনতার মাধ্যমে প্রতিরোধ।
- মাদকবিরোধী সচেতনতা
- বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ
- কুসংস্কারবিরোধী সচেতনতা
আজকের উদ্যোগ, আগামী দিনের পরিবর্তন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনার সময়, দক্ষতা বা সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

